EDITOR
- ১৮ আগস্ট, ২০২০ /

বিশেষ প্রতিবেদক:
সদ্য বরখাস্ত হওয়া টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আরও একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে মামলাটি দায়ের করেন টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভী বাজার এলাকার সুলতান আহমদের স্ত্রী গোল চেহের।
কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৩ (টেকনাফ) এর বিচারক মোঃ হেলাল উদ্দিন মামলাটি আমলে নিয়ে এএসপি সমমানের পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট ইনসাফুর রহমান জানিয়েছেন, গত ৪ জুলাই সকালে বাদী গোল চেহেরের দুই সন্তান সাদ্দাম হোসেন ও মোঃ জাহেদ হোসেনকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেবে বলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। অন্যথায় মৃত লাশ প্রদান করা হবে বলে হুমকি দেয় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান। পরে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। কিন্তু তাদের ছেড়ে না দিয়ে মোঃ জাহেদ হোসেনকে মথ্যা অভিযোগেে আদালতে সোপর্দ করলেও মোঃ সাদ্দাম হোসেনকে গুলি করে হত্যা করে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় মশিুউর রহমানকে এক নম্বর ও প্রদীপ কুমার দাশকে দুই নম্বর আসামী করে ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো: রাশেদ। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত। ওই ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা এবং পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী কক্সবাজার জেলা কারাগারে রয়েছে। তাদের মধ্যে চার পুলিশ সদস্য ও তিন সাক্ষীকে রিমান্ড শুনানি করছে তদন্তকারী সংস্থা র্যাব।
এদিকে আজ (১৮ আগস্ট) মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কারাগারে থাকা রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামী ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও নন্দ দুলাল রক্ষিতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব হেফাজতে নেয়া হয়েছে।’
ভয়েস/আআ